Friday, October 2, 2015

চোখ সুস্থ থাকবে প্রতিদিনের তিনটি সহজ ব্যায়ামে


চোখ সুস্থ থাকবে প্রতিদিনের তিনটি সহজ ব্যায়ামে
চোখ শরীরের অন্যতম স্পর্শকাতর অঙ্গ৷ এই অঙ্গে এক কণা ধূলো নিয়ে আসতে পারে অনেক অস্বস্তি৷ অথচ এই চোখের প্রতি আমরা কতটুকুই বা নজর দিই? শরীরের যত্ন নিতে ব্যায়াম করেন অনেকেই কিন্তু চোখের ব্যায়াম করেন খুব কম সংখ্যক মানুষই৷
আজকের দিনে অধিকাংশ মানুষেরই কাজ কম্পিউটার বা ল্যপটপে৷ তাতে চোখের ক্ষতি হয় সেকথা কারও অজানা নয়৷ কিন্তু তাতেও চোখের প্রতি নজর দেন খুব কম মানুষ৷ কিন্তু চোখকে ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন কয়েকটি ব্যায়ামই যথেষ্ট৷ আর এর জন্য আপনার অতিরিক্ত সময় বের করারও দরকার নেই৷ কর্মক্ষেত্রে বসেই আপনি করতে পারেন এই সহজ অথচ উপকারী এই ব্যায়ামগুলি৷
ব্যায়াম-১:
কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় চোখ বন্ধ করে রাখুন। হাতে হাত ঘষে হাতের তালু কিছুটা গরম করে বন্ধ চোখের ওপর রাখুন। হাতের তালু এমনভাবে রাখুন যাতে ভেতরে কোনো আলো না যেতে পারে। দুই মিনিট এভাবে চোখ বন্ধ করে রাখুন। দিনে বেশ কয়েকবার এরকম করলে আপনার চোখের বিশ্রাম হবে।
ব্যায়াম-২:
যাঁরা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন বেশি মাত্রায় ব্যবহার করেন তাদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তাদের জন্য ব্যায়াম হচ্ছে একটানা তাকিয়ে না থেকে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় সাধারণের তুলনায় ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। এতে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।
ব্যায়াম-৩:
রাতে ঘুমানোর সময় বিছানায় শুয়ে এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। চোখ বন্ধ করে চোখের পাতা আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। ভ্রুর নিচের দিক ও চোখের নিচের দিক এভাবে দুই মিনিট ম্যাসাজ করে নিন। এতে ঘুমও ভালো হবে৷ আপনার চোখের অতিরিক্ত ক্লান্তিও দূর হবে৷

খুব সহজেই জেনে নিন আপনার ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা আছে কি নেই

ডায়াবেটিসের সমস্যাটি ইদানিং দেখা যায় ঘরে ঘরে। ডায়াবেটিস নামের এই জটিলতাটি একা আসে না, এর সাথে সাথে জীবনে যোগ হয় হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, ত্বকের সমস্যা ইত্যাদি। ভবিষ্যতে কি আপনারও হতে পারে ডায়াবেটিস? ডায়াবেটিসের লক্ষণ বা পুর্বাভাসের ব্যাপারে প্রিয়.কমের পক্ষ থেকে কথা বলা হয় মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার তাহমিনা আক্তারের সাথে। ডাক্তার তাহমিনা জানান, টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস হয়ে থাকে জন্মগত। কারও শরীর জন্ম থেকেই ইনসুলিন উৎপাদনে অক্ষম থাকলে তিনি সারা জীবনের জন্য ডায়াবেটিসের রোগী হয়ে থাকবেন। বংশগতি, প্যানক্রিয়াস তথা অগ্ন্যাশয়ের রোগ বা ইনফেকশন হতে পারে এর কারণ। টাইপ টু ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ব্যাপারে জানা রাখা ভালো। টাইপ টু ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে মডিফায়েবল এবং নন-মডিফায়েবল দুই ধরণের কেস দেখা যায়। মডিফায়েবল কেস ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, রেড মিট খাওয়ার অভ্যাস এসব কারণে, ওবেসিটি থাকলে টাইপ টু ডায়াবেটিস হতে পারে। জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে এক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যেতে পারে। এছাড়াও দেখা যায়, পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে টিউমার থাকলে ডায়াবেটিস হতে পারে। প্যানক্রিয়াসের ওপর পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের প্রভাব থাকে, ফলে পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে টিউমার হলে প্যানক্রিয়াসের ইনসুলিন উৎপাদনে বাধা পড়তে পারে। এর থেকে ডায়াবেটিস হতে পারে। এই টিউমার সারিয়ে তোলা গেলে ডায়াবেটিসও সেরে যায় বলে জানা ডাক্তার তাহমিনা। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় এক ধরণের ডায়াবেটিস হতে দেখা যায় যা সন্তান জন্ম নেবার আগ পর্যন্ত থাকে। নন-মডিফায়েবল কেস বয়স ৩০ এর বেশি হয়ে গেলে তখন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকতেই পারে, এটা এড়ানোর কোনো উপায় নেই। এছাড়া বংশগতভাবে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে তখন তারও ডায়াবেটিস হবার একটা বড় সম্ভাবনা থাকে যা এড়ানো শক্ত। এক নজরে দেখে নিন ডায়াবেটিস হবার পেছনে দায়ী মূল কিছু কারণ: - ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন - বংশগতি - রক্তে বেশি মাত্রায় খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল - বয়স - ইনসুলিন রেসিসটেন্স - উচ্চ রক্তচাপ - যথেষ্ট ব্যায়াম না করা - পলিসিস্টিক ওভারী সিনড্রোম - মধ্যবয়স - ইমপেয়ারড গ্লুকোজ ইনটলারেন্স - গর্ভাবস্থা

ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন যে ৫টি ফল

1443064700
মানুষের জীবনে যাদের ডায়াবেটিস হয়েছে, তাদের জীবনে ছোট হয়ে গেছে খাবারের তালিকা। এটা খাওয়া যাবে না, সেটা খাওয়া যাবে না এই নিয়েই তাদের চলতে হয়। মিষ্টি জাতীয় ফল বা অন্যকিছু খাওয়ার কথাতো তারা ভাবতেই পারেন না। তবে মিষ্টি হলেও পাঁচটি ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। একদম চিন্তা না করে তারা এ ৫টি ফল খেতে পারেন। সে ফলগুলো হচ্ছে : পেঁপে : পাকা পেঁপে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এই ফলটিতেও বেশ ভালো পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ থাকে। কালোজাম : চিন্তা ছাড়াই এই ফলটি খেতে পারেন। কালোজাম সুগার রোগীর রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। মূলত কালোজামের বীজ গুঁড়া করে দিনে একবার যদি আধা চামচ খাওয়া যায় তবে তা এই রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর। কিউয়ি : এই ফলটি ডায়াবেটিস রোগীদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। এ ফল রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। পেয়ারা : ডায়াবেটিসে খাওয়ার জন্য অন্যতম একটি উপকারী ফল পেয়ারা। পেয়ারার মধ্যে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে, যা সুগার রোগীদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। কাঁঠাল : এতদিন সবাই জানত কাঁঠাল একেবারেই নিষিদ্ধ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য। কিন্তু সম্প্রতি ডাক্তাররা জানিয়েছেন কাঁঠাল সুগার রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। এই ফলটির মধ্যে ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, নিয়াসিন এই উপকারী উপাদানগুলি থাকে, যা এই রোগীদের পুষ্টির সহায়ক।