Monday, September 28, 2015
যে সমস্ত বিষয় কেড়ে নেয় আপনার যৌবন
নিয়মিত যত্ন ছাড়াও নিজের লাবণ্য ধরে রাখতে কে না চায়। বিশেষ করে আজকাল বয়স ত্রিশের কোটা পার হতে না হতেই চেহারায় ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেখা যায় অনেকেরই। মুখের চামড়া ঝুলে পড়া কিংবা মুখে বয়স জনিত মেচেদা, দাগ ও রিংকেল দেখা যায়। বিরূপ আবহাওয়ার পাশাপাশি এই অল্প বয়সে চেহারা বুড়িয়ে যাবার জন্য দায়ী আমাদেরই কিছু অভ্যাস। বলা চলে রীতিমত বদ অভ্যাস। এই খারাপ অভ্যাসগুলো আমাদের ভেতরটার সাথে সাথে বাইরের সৌন্দর্যও কেড়ে নিচ্ছে। আপনার শরীরকে কেবল বুড়িয়ে দিচ্ছে না, নষ্ট করে দিচ্ছে আপনার চেহারার সৌন্দর্যকেও। বয়সের চাইতেও তাই অনেক বেশি বয়স্ক দেখাচ্ছে আপনাকে। অথচ সামান্য এই ভুল গুলো শুধরে নিলেই কোনো রকম বাড়তি যত্ন ছাড়াই আপনার শরীর ও চেহারার যৌবন থাকবে অটুট।
কম ঘুমানো
ব্যস্ততা কিংবা অন্যান্য অনেক কারণেই আমাদের ঘুম পরিমিত পরিমাণে হয় না। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দিনে সাত-আট ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। পরিমিত না ঘুমানোর জন্য দেহে অন্যান্য রোগের পাশাপাশি ত্বকেও দেখা যায় বয়সের ছাপ পড়তে। ডার্ক সার্কেল ও চোখের নিচের ফোলা ভাবের জন্য দায়ী পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। শুধু তাই নয় অপর্যাপ্ত ঘুমের কারনে দ্রুত মুখের চামড়া ঝুলে পড়তে দেখা যায়। আর হাজারো বাড়তি অসুখ বিশুখ তো সাথে আছেই বোনাস হিসাবে!
বেশি পরিমাণে মিষ্টি খাবার খাওয়া
বেশি পরিমাণে মিষ্টি খাবার খাওয়া শুধুমাত্র ওজনই বাড়ায় না, ত্বকেরও অনেক ক্ষতি করে। অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি হয়, ফলে ত্বকে রিংকেল দেখা যায়। এদিকে আপনার ওজন বাড়ায়, শরীরের জন্ম দেয় নানান রকম রোগ,খুব কম বয়সেই রীতিমত বার্ধক্য নিয়ে আসে শরীরে। সুতরাং মিষ্টি খাবার খাওয়া থেকে সাবধান।
ধূমপান ও মদ্যপান
ধূমপান ও মদ্যপানের ফলে শরীরের কি ক্ষতি হয় সেটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। একই সাথে চেহারারও ক্ষতি হয় ভীষণ। ত্বকের নিচের শিরা-উপশিরায় রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে যায়। এতে ত্বকের নিচের শিরা-উপশিরা স্থায়ীভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়। ফলে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের বয়সজনিত দাগ দেখা দেয়।
অতিরিক্ত ব্যায়াম
ব্যায়াম করা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভাল। কিন্তু অতিরিক্ত কোনো কিছুই ঠিক নয়। আপনি যদি ভাবেন যে বেশি ব্যায়াম করলে শরীর সুগঠিত হবে তা হয়তো ঠিক। তবে এটাও ঠিক যে বেশি কায়িক পরিশ্রমও শরীর ও চেহারা থেকে কেড়ে নেয় যৌবন। এর পাশাপাশি ত্বকের যৌবনও হারাচ্ছেন। অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে ত্বকের কোলাজেন টিস্যু ভেঙে যায়। এর ফলে ত্বকে রিংকেল দেখা দেয়। ত্বক বুড়িয়ে যায়।
সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা
অনেকেই রোদের পোড়াকে তেমন গুরুত্ব দেন না। আবার অনেকেই ভুলে কিংবা আলসেমি করে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন না। কিন্তু এতে আপনি আপনার নিজেরই ক্ষতি করে চলেছেন। সূর্যের রশ্মির তেজ আপনার চেহারায় দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। মেচেদা, দাগ, রিংকেল ও চামড়া ঝুলে পড়ার মত ক্ষতি করে রোদ। তাই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
এক ডজন কৌশলে ধরে রাখুন চেহারার যৌবন ও লাবণ্য
খুব সাধারণ কিছু অভ্যাসের কারণে আমাদের চেহারায় ও দেহে পড়তে থাকে বয়সের ছাপ। সাধারণত মধ্যবয়সের আগে আমাদের দেশে বয়স নিয়ে কেউ মাথা ঘামান না। ভাবেন, জীবন তো পড়েই আছে! যদিও সত্য কথাটা হচ্ছে এই যে বয়স ২০ পার করে ফেললেই সচেতন হওয়া উচিত, যদি আপনি ধরে রাখতে চান আপনার যৌবনদীপ্ত চেহারা ও কমনীয় সৌন্দর্যের লাবণ্য। কী করবেন? আজকের ফিচারে জেনে নিন বার্ধক্য রোধ করে রাখার এমন এক ডজন টিপস, যেগুলো চমকে দিতে পারে আপনাকে!
১) অ্যান্টিএজিং শুরু করতে হবে দ্রুত
ত্বকের বার্ধক্য রোধের চেষ্টা শুরুকরতে হবে যতো দ্রুত সম্ভব। সবারই ধারণা বয়সের ত্রিশের কোঠায় পৌঁছালেই কেবল অ্যান্টিএজিঙ্গের জন্য ত্বকের যত্ন করতে হবে? আসলে তা নয়। বরং আরও আগে থেকেই ত্বকের যথেষ্ট যত্ন নেওয়া জরুরী।
২) অ্যান্টিএজিং ব্যবহার করলেও ত্বকের বার্ধক্য আসবেই
ত্বকের যত্ন নেওয়া হলে সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়বে না। কিন্তু যতই শরীরের যত্ন নেন না কেন, একটা সময়ে শরীর বুড়িয়ে যাবে। ঠিক তেমনি, বিভিন্ন অ্যান্টিএজিং পণ্য ব্যবহার করলেও একটা সময়ে ত্বক বার্ধক্যের ছাপ পড়বেই। ত্বক ঝুলে পড়বে, রুক্ষ হয়ে যাবে আগের চাইতে, ছোপ ছোপ দাগও পড়তে পারে। এই সমস্যাগুলো আরও বাড়বে আপনি যদি রোদে বেশি সময় থাকেন।
৩) সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা আপনার সবচাইতে বড় ভুল
সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে যান অনেকেই। বলেন এতে সময় বেশি লাগে আর বাইরে যাবার আগে এতো সময় নষ্ট করতে পারবেন না তারা। কিন্তু নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার মতোই সানস্ক্রিন ব্যবহার করাটাকেও একটি অভ্যাসে পরিণত করুন। ত্বকের বার্ধক্যের গতি কমিয়ে আনতে এটি সবচাইতে কার্যকর উপকরণ।
৪) ঘাড়-গলা এবং হাতের যত্ন নিতে ভুলবেন না
অনেক সময়েই দেখা যায়, মুখের ত্বক ঝলমল কছে, লাবণ্য পড়ছে উপচে, অথচ হাত এবং গলার জাচ্ছেতাই অবস্থা। মুখের মতো গোল ও হাতের ওপরেও বয়সের ঝড়ঝাপটা যায়। তাই এসব এলাকারও যত্ন নেওয়া উচিৎ যথাযথ।
৫) পান করার সময়ে ব্যবহার করবেন না স্ট্র
স্ট্র ব্যবহার করে কোমল পানীয় পান করাটা অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু এই কাজটি করার ফলে মুখের চারপাশের ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে অনেক দ্রুত।
৬) ব্যবহার করুন আই ক্রিম
চোখের আশেপাশের ত্বক হলো শরীরের সবচাইতে পাতলা ত্বক। ফলে একে রাখতে হবে যত্নে। বয়স বিশের মাঝামাঝি পৌঁছে গেলে ভালো একটি আই ক্রিম ব্যবহার শুরু করুন যাতে চোখের আশেপাশের ত্বক ভালো থাকে। যেসব সানগ্লাস অতিবেগুনী রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয় সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন।
৭) ব্যবহার করুন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
মেকআপ ত্বকের ত্রুটি ঢেকে দেয় সত্যি, কিন্তু ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসতে খাবারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জুড়ি নেই। নিয়মিত খাবার অভ্যাস করুন ফল, সিমজাতীয় সবজি এবং ডার্ক চকলেট।
৮) পা ক্রস করে বসবেন না
পায়ের যত্ন নেবার কথা কারোই মনে থাকে না। বার্ধক্যের ছাপ তো পায়ের ওপরেও পড়বে বই কী। এ কারণে পা ক্রস করে বসার অভ্যাসটি পাল্টে ফেলুন। বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকবার দরকার হলে এক পা থেকে আরেক পায়ে ভার বদল করতে থাকুন।
৯) কোনোভাবেই ধূমপান করবেন না
তারুণ্যে অনেকেই শখ করে ধূমপান করে থাকেন। কিন্তু ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে থাকতে হবে এর থেকে একশো হাত দূরে। এটি ত্বকে রক্ত চলাচলে বাঁধা দেয়। আর প্রতিবার ধূমপানের সাথে সাথে আপনার ঠোঁটের চারপাশে পড়বে বলিরেখা।
১০) ব্রণ খোঁচাখুঁচি করবেন না
ব্রণে যতো হাত দেবেন তত ক্ষতি বেশি হবে। তাই ব্রণ খোঁচানোর অভ্যাস একেবারে বাদ দিন। আর মুখে ব্রণের জেদি দাগ থাকলে তা দূর করার জন্য কথা বলুন ডার্মাটোলজিস্টের সাথে।
১১) থাকুন সক্রিয়
অর্থাৎ ব্যায়ামে অভ্যস্ত হয়ে যান। সারা শরীরে রক্ত চলাচল ভালো হলে ত্বক থাকবে সুস্থ আর আপনাকে দেখেই তা বোঝা যাবে।
১২) হালকা গরম পানিতে গোসল করুন
অনেকে ভীষণ গরম পানিতে গোসল করে থাকেন। কিন্তু এতে ত্বক থেকে হারায় আর্দ্রতা। হালকা গরম পানিতে গোসলের অভ্যাস করুন। শুধু তাই নয়, বয়সের সাথে সাথে চুল কমে যায়। তাই বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল শ্যাম্পু করা কমিয়ে দিন। মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল চুলের সাথে মিশে চুলকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে এই অভ্যাস।
ত্বকের যে ১০টি সমস্যা তৈরি হচ্ছে আপনারই ভুলে
ত্বকের যত্ন নেবার সব নিয়ম জানা আছে আপনার। এর পরেও আপনার ত্বক থেকে নিষ্প্রাণ ভাবটা যাচ্ছেই না। আপনি কি জানেন, নিজেরই কিছু ভুলে আপনার ত্বক হারাচ্ছে সৌন্দর্য?
যদি হাসতে হাসতে মরতে না চান তাহলে এই ভিডিও দেইখেন না… (ভিডিও)
নারিকেল তেলের ২৬টি অজানা ব্যবহার (ভিডিও)
আদম আ. কে যে পাহাড়ে নামানো হয়েছিল (ভিডিও)
১) ব্রণের উপদ্রব
নিয়মিতই ত্বকের যত্ন নিচ্ছেন আপনি। কিন্তু তারপরেও কয়েক সপ্তাহ পরপরই ব্রণ উঠে ভরে যাচ্ছে আপনার ত্বক। হয়তোবা ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে আপনি এমন কিছু করছেন যাতে উল্টো ক্ষতিই হচ্ছে আপনার। বিশেষ করে ত্বক অতিরিক্ত পরিষ্কার করার ফলে এই সমস্যাটা হতে পারে। ত্বকে বেশি ঘষামাজা করতে গেলে ত্বক তেল উৎপাদন আরও বাড়িয়ে দেয়, ফলে ত্বকে ঘন ঘন ব্রণ হতে পারে।
২) বলিরেখা এবং কুঞ্চন
ত্বকে বার্ধক্যের প্রথম লক্ষণ হলো এগুলো। বয়স মধ্য-ত্রিশে পৌঁছালে মুখে বলিরেখা উঁকি দেওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু নিজস্ব কিছু অভ্যাসের কারণে বলিরেখা খুব দ্রুত দেখা দিতে পারে। একটি কারণ হলো রোদে পোড়া। কেউ কেউ জীবনের প্রয়োজনেই সারাদিন রোদে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু তাদের জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার করাটা খুবই জরুরী। বয়স বিশের কোঠায় গেলেই যদি ত্বক ভাঁজ পড়তে থাকে তবে অবশ্যই সানস্ক্রিন মাখতে হবে। রাতের বেলায় উপযুক্ত একটি নাইট ক্রিমের ব্যবহারটাও ভালো।
৩) ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ
ত্বকে কোনো কারণ ছাড়াই ছোপ ছোপ দাগ পড়ে থাকলে সেটাও হতে পারে রোদের কারণে। সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস থাকা ভালো। কিন্তু এর পরেও ত্বককে একটু যত্ন করতে হবে। ত্বকের রঙ হালকা করার ভালো কোনো ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে পারেন এক্ষেত্রে। এগুলো ছোপ ছোপ দাগ দূর করে থাকে।
৪) ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস
ত্বকে মৃত কোষ এবং তেল জমে এগুলো দেখা দেয়। সপ্তাহে একদিন এক্সফলিয়েট করা এবং দিনে দুইবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস থাকলে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ত্বকে অতিরিক্ত মেকআপ করলে ব্ল্যাকহেডসের ভয়াবহ প্রকোপ দেখা দেয় তাই খুব বেশি ভারী মেকআপ করবেন না। কয়েক ধরণের মেকআপ ব্যবহার, নিয়ম না মেনে মেকআপ করলেও এই সমস্যা হতে পারে। অনেকে মেকআপ নিয়েই ব্যায়াম করেন বা ঘুমিয়ে যান। এ থেকেও হতে পারে ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস।
৫) চামড়া ওঠা
সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময়ে অনেকেই একটি ভুল করেন আর তা হলো দিনে একবারই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা। অনেকেই জানেন না যে তিন ঘণ্টা পর পর সানস্ক্রিন নতুন করে মাখতে হয়। দিন একবার সানস্ক্রিন মেখে সারাদিন ঘোরাঘুরি করলে রোদে পুড়ে চামড়া উঠে যাবার সমস্যাটি দেখা দিতে পারে।
৬) ফাটা ঠোঁট
মেকআপ না করলেও নিদেনপক্ষে লিপস্টিক দিয়ে বের হন সবাই। অথচ ঠোঁটের যত্ন নেবার ক্ষেত্রে কারোই তেমন উৎসাহ দেখা যায় না। ঠোঁটের পাতলা ত্বক খুব সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে ঠোঁটেরও যত্ন নেওয়া উচিৎ নিয়মিত। ব্যবহার করুন এমন কোনো লিপ বাম যা ঠোঁটকে কোমল রাখে এবং ফাটা ঠোঁটকে মেরামত করতে সাহায্য করে।
৭) টি-জোন ট্যানিং
নাক, কপাল ও গালের ওপরের দিকে রোদে পোড়া ত্বকের ক্ষতি বেশি দেখা যায়। এটাও হয় সানস্ক্রিন ব্যবহারে অবহেলার কারণে। ত্বকে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরী। এছাড়াও ত্বক থেকে মৃত কোষ সরিয়ে ফেলার জন্য এক্সফলিয়েট করতে হবে নিয়মিত।
৮) রুক্ষ শুষ্ক ত্বক
কী করে বুঝবেন আপনার ত্বক মাত্রাতিরিক্ত শুষ্ক? ত্বকের ওপর দিয়ে নখ টেনে নিন। যদি সাদা দাগ পড়ে তবে বুঝতে হবে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক। এটা হয়ে থাকে ত্বকের জন্য বেশি ক্ষতিকর কিছু ক্লিনজার ব্যবহারের কারণে। এছাড়াও ঘন ঘন গরম পানিতে গোসলের কারণেও ত্বক থেকে হারিয়ে যেতে পারে আর্দ্রতা। যথেষ্ট পানি পান না করলে এবং ঘুম ঠিকমতো না হলেও ত্বকে নিষ্প্রাণ ভাব চলে আসে। এসব অভ্যাস বাদ দিন এবং নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
৯) ফাটা গোড়ালি
কোনোরকম ফাটা দাগবিহীন মসৃণ গোড়ালির স্বপ্ন দেখি আমরা সবাই। কিন্তু সারাদিন হাঁটাহাঁটির পর পায়ের যত্ন না নেবার কারণে তা স্বপ্নই থেকে যায়। একে বাস্তবে রূপ দেওয়া কিন্তু আসলে তেমন কঠিন কিছু নয়। ছুটির দিনগুলোতে কিছু সময় বের করে নিন। হালকা গরম পানিতে কিছুটা এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। এরপর ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন পা। নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখা আর সপ্তাহান্তে এই কাজটি করলে গোড়ালি সুন্দর হয়ে উঠবে আপনারও।
১০) কালচে কনুই এবং হাঁটু
হাঁটু এবং কনুইতে কালো দাগ এবং কড়া পড়লে বুঝতে হবে সেখানে আর্দ্রতার অভাব হচ্ছে। এসব জায়গার ত্বকেও এক্সফলিয়েট করাটা জরুরী। আর গোসলের পর একটি ভালো ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করুন এসব জায়গায়।
Subscribe to:
Posts (Atom)